একিউট কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম

একিউট কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম (Acute Compartment Syndrome) একটি অত্যন্ত জরুরি স্বাস্থ্যগত সমস্যা যা সাধারণত কোনো গুরুতর আঘাত বা হাড় ভাঙার ফলে দেখা দেয়। যখন কোনো প্রকোষ্ঠের ভেতরে হঠাৎ করে চাপ মারাত্মকভাবে বেড়ে যায়, তখন এটি পেশি এবং স্নায়ুর রক্ত চলাচল বন্ধ করে দেয়। এটি একটি 'সার্জিক্যাল ইমার্জেন্সি' কারণ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসা না করলে স্থায়ী পক্ষাঘাত বা অঙ্গহানির ঝুঁকি থাকে।

লক্ষণসমূহ (৫টি 'P')

এই সিনড্রোমের প্রধান লক্ষণগুলোকে ৫টি 'P' দিয়ে চিহ্নিত করা হয়: Pain (অসহ্য ব্যথা যা ব্যথানাশক ওষুধেও কমে না), Pallor (আক্রান্ত স্থান ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া), Paresthesia (ঝিনঝিন করা বা অনুভূতিহীনতা), Pulselessness (নাড়ি পাওয়া না যাওয়া) এবং Paralysis (নাড়াচাড়া করার ক্ষমতা হারানো)। এছাড়া আক্রান্ত স্থানটি অত্যন্ত শক্ত হয়ে যাওয়া এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

জরুরি চিকিৎসা

লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই জরুরি ভিত্তিতে অপারেশন বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। সার্জন 'ফ্যাসিওটমি' (Fasciotomy) পদ্ধতির মাধ্যমে পেশির ওপরের আবরণটি উন্মুক্ত করে চাপ কমিয়ে দেন। যদি রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে তা মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে দ্রুত মেরামত করা হয়। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই পারে একটি হাত বা পা স্থায়ী ক্ষতির হাত থেকে বাঁচাতে। এমন কোনো তীব্র ব্যথা বা লক্ষণে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

< ক্রনিক কম্পার্টমেন্ট সিনড্রোম অ্যাম্পুটেশন >